


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্য বর্তমান ক্যাম্পাসে কোনো মন্দির স্থাপনের জায়গা কখনো নির্ধারিত হয়নি। সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরকে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর হিসেবে উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, “মন্দিরের জন্য নির্ধারিত জায়গায় শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়াশরুম নির্মাণ করা হচ্ছে”—এরকম সংবাদ মিথ্যা ও বানোয়াট।
তবে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় চাহিদা এবং প্রয়োজন বিবেচনায়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে একটি পূর্ণাঙ্গ মন্দির কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল (ডিপিপি) প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় ইতোমধ্যে মন্দির কমপ্লেক্স অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ডিপিপি অনুমোদিত হলে অন্যান্য অবকাঠামোগত কাজের সঙ্গে মন্দির নির্মাণ কার্যক্রমও শুরু হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আরও উল্লেখ করেছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার সমানভাবে সম্মান করা হয়। প্রশাসন সর্বদা এই নীতির প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ এবং ভবিষ্যতেও তা বজায় থাকবে।
এছাড়া, সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বিঘ্নে বিভিন্ন পূজা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে আসছেন। সর্বশেষ উদাহরণ হিসেবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০টি বিভাগের প্রত্যেকটিতে প্রশাসনের সার্বিক আর্থিক ও প্রশাসনিক সহায়তায় জাঁকজমকপূর্ণভাবে সরস্বতী পূজা উদযাপিত হয়েছে। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দারাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছেন।