


শীতকাল আসার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা ও আশপাশের শহরগুলোতে বায়ুদূষণ বিপজ্জনক মাত্রায় বৃদ্ধি পায়। বাতাসে ধূলিকণার আধিক্য শ্বাসকষ্ট, উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়, যা বিশেষ করে শিশু ও প্রবীণদের জন্য বেশি হুমকিস্বরূপ। এই পরিস্থিতিতে ফুসফুস ও শরীরকে সুরক্ষিত রাখতে দৈনন্দিন জীবনে কিছু সহজ অভ্যাস অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথমেই, প্রতিদিন বাইরে বের হওয়ার আগে স্মার্টফোন অ্যাপের মাধ্যমে বাতাসের মান পরীক্ষা করা উচিত। যদি দূষণের মাত্রা বেশি থাকে, তবে সকালে বা সন্ধ্যায় বাইরে ব্যায়াম এড়িয়ে চলা বুদ্ধিমানের কাজ। বাড়ির পরিবেশকে নিরাপদ রাখতে জানালা বন্ধ রাখা এবং সম্ভব হলে এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করা জরুরি। ঘরে স্নেক প্ল্যান্ট বা অ্যারিকা পামের মতো ইনডোর প্ল্যান্ট রাখলে প্রাকৃতিকভাবে বাতাসকে বিশুদ্ধ রাখা যায়।
বাইরে বেরোনোর সময় সাধারণ মাস্কের পরিবর্তে এন৯৫ বা এন৯৯ সার্টিফায়েড মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। শরীর থেকে টক্সিন বের করতে পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া নিয়মিত শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করা এবং হৃদরোগীদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো দীর্ঘমেয়াদে জটিলতা এড়াতে সাহায্য করে।
অতএব সামান্য সচেতনতা বজায় রেখে বায়ুদূষণের এই প্রতিকূল সময়ে সুস্থ থাকা সম্ভব।