


বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আয়ের উৎস নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল বলেন, “আমাদের ৯০–৯৫ শতাংশ রাজস্ব কিন্তু আইসিসি থেকে আসে, তাই সবকিছু বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।” সাবেক ক্রিকেটারের এমন মন্তব্যের পর ক্রীড়াঙ্গনে শুরু হয় নানা প্রশ্ন ও আলোচনা, বিশেষ করে আসলেই কি বিসিবি এত বড় অংশের আয় আইসিসি থেকে পায় কি না।
তামিমের মন্তব্যকে ভালো চোখে দেখেননি বিসিবি পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলাম। তিনি তামিমকে ‘ভারতীয় দালাল’ আখ্যা দেন। এরপর থেকেই গণমাধ্যমে এবং সামাজিক মাধ্যমে বিসিবির আয়ের প্রকৃত অবস্থা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়।
বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে আইসিসি থেকে প্রতি বছর বিসিবি প্রায় ৫৫–৬০ শতাংশ রাজস্ব পায়। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে নানা কারণে বিসিবির অভ্যন্তরীণ আয় কিছুটা কমলেও আইসিসি থেকে বোর্ড কোনোভাবেই ৯০ শতাংশের বেশি আয় করে না, যেটা তামিমের বক্তব্যে বলা হয়েছিল।
আইসিসি থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব ছাড়াও বিসিবির আয়ের অন্যান্য উৎসের মধ্যে রয়েছে, আন্তর্জাতিক সিরিজের টিভি স্বত্ব, জাতীয় দলের টাইটেল স্পনসর, ইন্টারন্যাশনাল হোম সিরিজ স্পনসর, কিট স্পনসরশিপ, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল), ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (সিসিডিএম) এবং ঘরোয়া টুর্নামেন্টগুলো (এনসিএল, বিসিএল) থেকে পাওয়া আয়।
এছাড়া, স্টেডিয়ামের টিকিট বিক্রি এবং গ্রাউন্ড রাইটসও বোর্ডের আয়ের একটি অংশ। শুধু তাই নয়, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ এবং ব্যাংকে রাখা স্থায়ী আমানত বা এফডিআরের সুদ বিসিবির কোষাগার সমৃদ্ধ করে।