Date: April 27, 2026

দৈনিক দেশেরপত্র

collapse
...
Home / জাতীয় / ডিগ্রি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ফ্রি ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর - দৈনিক দেশেরপত্র - মানবতার কল্যাণে সত্যের প্রকাশ

ডিগ্রি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ফ্রি ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

April 27, 2026 08:16:31 PM   দেশেরপত্র ডেস্ক
ডিগ্রি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা ফ্রি ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

নারী শিক্ষার প্রসারে বড় ধরনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, দেশের মেয়েদের শিক্ষা ডিগ্রি পর্যন্ত সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা হবে। পাশাপাশি ভালো ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য সরকার উপবৃত্তির ব্যবস্থাও করবে। এই ঘোষণাকে নারী শিক্ষা ও ক্ষমতায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) যশোরের শার্শা উপজেলার উলশী খাল পুনঃখনন কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে তিনি এ ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি বলেন, নারী শিক্ষার অগ্রগতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে এবং পূর্বের উদ্যোগগুলোর ধারাবাহিকতায় আরও বড় পরিসরে সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, অতীতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগে মেয়েদের ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ চালু হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তা আরও বিস্তৃত করে ডিগ্রি পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী খাল, নদী ও জলাধার পুনঃখননের কাজ চলমান রয়েছে। উলশী খাল পুনঃখনন সেই বৃহৎ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শুরু হয়েছে। এর আগে দিনাজপুর থেকে এই কার্যক্রমের সূচনা করা হয়েছিল বলেও তিনি জানান।

সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, নারী ও পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে সরকার ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প চালু করেছে, যার বাস্তবায়ন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ স্থানীয় সংসদ সদস্যরা।

উল্লেখ্য, উলশী খালটি ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে খনন করা হয়েছিল। প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি ‘জিয়া খাল’ নামেও পরিচিত ছিল। দীর্ঘ প্রায় পাঁচ দশক পর বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে খালটি পুনঃখননের কাজ শুরু হয়েছে, যা স্থানীয় কৃষি ও জল ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।