


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-২ (সদর) সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্যে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান ও ঈগল প্রতীকের প্রার্থী মজিবুর রহমান মঞ্জু। বুধবার দুপুর ১২টায় ফেনী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ মনিরা হকের কাছ থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।
এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, কুমিল্লা মহানগর আহ্বায়ক মিয়া তৌফিক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফেনীর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহ আলম বাদল, ফেনী জেলা আহ্বায়ক আহছান উল্যাহ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফলাতুন বাকী, সদস্য সচিব ফজলুল হক, যুগ্ম সদস্য সচিব নজরুল ইসলাম কামরুল ও অর্থ সম্পাদক শাহীন সুলতানীসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, মানুষের কাছে নিজেকে খুব যোগ্য মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করে ভোট চাওয়াকে তিনি সবসময় স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। তবে নির্বাচনের বাস্তবতায় অনিচ্ছা সত্ত্বেও সে পথেই হাঁটতে হচ্ছে। তিনি বলেন, আমি বরং আমার অযোগ্যতার কথাই বলতে চাই। এটি আমার প্রথম নির্বাচন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। তবে ছাত্রজীবন থেকে প্রায় ৩৫ বছর তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত রাজনীতি করেছি, নির্যাতন, নিপীড়ন ও কারাভোগ করেছি কিন্তু কোথাও মাথা নত করিনি।
তিনি আরও বলেন, তাঁর অনেক সনদ থাকলেও জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার কোনো সনদ নেই। সেই অভিজ্ঞতার সনদ পাওয়ার জন্যই তিনি ফেনীর জনগণের কাছে এসেছেন। নতুন রাজনৈতিক দল ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের কথা বলায় বিভিন্ন সময় তাঁকে অবমাননার শিকার হতে হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণই বিচার করবে ৫৪ বছর ধরে চলে আসা ভুল রাজনীতির বাইরে গিয়ে নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রয়োজন আছে কি না। ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ফেনী-২ আসনের জনগণ যে রায় দেবেন, তা আমি মাথা পেতে গ্রহণ করব।
ফেনীর উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বড় কোনো ওয়াদার প্রয়োজন নেই। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধ হলে, প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারলে এবং রাজনৈতিক সহনশীলতা বজায় থাকলেই ফেনী হবে দেশের সবচেয়ে উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও স্মার্ট জেলা। তিনি ফেনীকে সব ধরনের দূষণমুক্ত রাখতে রাজনৈতিক ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।