


জন্মের পর থেকেই নেফ্রোটিক সিনড্রোম ও কিডনি ক্যানসারের মতো জটিল রোগের সঙ্গে লড়াই করছে ১১ বছরের শিশু তাজিন। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে ছেলের ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালাতে গিয়ে পরিবারটি আজ একেবারে নিঃস্ব। একমাত্র সন্তানের জীবন বাঁচাতে এখন সমাজের বিত্তবান মানুষ ও সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন তাজিনের বাবা হাবিবুর রহমান।
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়নের টান লক্ষ্মীয়া গ্রামের বাসিন্দা হাবিবুর রহমান ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির একমাত্র ছেলে তাজিন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জন্মের পরপরই তার কিডনির সমস্যা ধরা পড়ে।
বর্তমানে সে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাজিনের কিডনি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তাকে সুস্থ করতে দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার প্রয়োজন। বর্তমানে তাকে নিয়মিত দামি ইনজেকশন দিতে হচ্ছে এবং রক্ত জোগাড় করতে হচ্ছে।
তাজিনের বাবা হাবিবুর রহমান জানান, গত ১১ বছরে ছেলের চিকিৎসার পেছনে তারা প্রায় ৮০ লাখ টাকা খরচ করেছেন। পৈতৃক ভিটেমাটি ও সহায় সম্বল যা ছিল তার সবকিছু বিক্রি করে তিনি এখন দিশেহারা। প্রতিদিনের চিকিৎসার বিপুল খরচ জোগাতে তিনি চরম হিমশিম খাচ্ছেন। অর্থের অভাবে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে তাজিনকে বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়বে।
এই অসহায় পরিস্থিতিতে সন্তানের জীবন রক্ষার্থে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক এবং ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ কমিটির সভাপতির কাছে আর্থিক সাহায্যের জন্য লিখিত আবেদন করেছেন হাবিবুর রহমান। একই সঙ্গে তিনি দেশের হৃদয়বান ও বিত্তবান মানুষদের কাছেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আকুল অনুরোধ জানিয়েছেন।
শিশু তাজিনের চিকিৎসায় সহযোগিতা পাঠাতে বা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন: ০১৭৪৮-৪৬৩১৭৭ (হাবিবুর রহমান, তাজিনের বাবা) এই নম্বরে।