


ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলায় সিআইডি (অপরাধ তদন্ত বিভাগ) প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ চার দিন পিছিয়ে ২৯ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য থাকলেও তদন্ত সংস্থা তা জমা দিতে পারেনি।
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
মামলার ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ শেষে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় আনুমানিক দুপুর ২টা ২০ মিনিটে অজ্ঞাতদুষ্ট দুষ্কৃতকারীরা শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায়। আহত ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়, তবে ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা করেন। শুরুতে মামলায় ১২০(বি)/৩২৬/৩০৭/১০৯/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। পরে তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনমতে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) সংযোজন করা হয়।
এর আগে ৬ জানুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটে ১১ জন বর্তমানে কারাগারে এবং ৬ জন পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের মধ্যে মূল শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল/দাউদ, তার সহযোগী আলমগীর হোসেন, মিরপুরের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ফিলিপ স্মাল পিলিপস, মুক্তি আক্তার ও জেসমিন আক্তার অন্তর্ভুক্ত।
কারাগারে থাকা আসামিদের মধ্যে রয়েছে ফয়সালের বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা মোসা হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা এবং শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু।
মামলার বাদী ও তদন্ত সংস্থাগুলো আশা করছে, সিআইডির প্রতিবেদন দাখিলের পর মামলার তদন্ত আরও ত্বরান্বিত হবে এবং বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত এগোবে।