


মুখের চামড়া কুঁচকে যাওয়া শুধু বয়সের কারণে নয়—জীবনযাপন, পরিবেশ ও অভ্যাস মিলিয়েই এই সমস্যা তৈরি হয়। তবে ভালো খবর হলো, সচেতন থাকলে এটাকে অনেকটাই ধীর করা সম্ভব।
কেন ত্বক কুঁচকে যায়
সবচেয়ে বড় কারণ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের ভেতরের কোলাজেন ও ইলাস্টিন কমে যাওয়া। এই দুই উপাদান ত্বককে টানটান রাখে। এগুলো কমে গেলে ত্বক ঢিলে হয়ে ভাঁজ পড়ে।
এর বাইরে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আছে—
সূর্যের UV রশ্মি: নিয়মিত রোদে থাকলে ত্বক দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়. পানিশূন্যতা: কম পানি খেলে ত্বক শুষ্ক ও নিস্তেজ হয়ে যায়. ধূমপান ও অ্যালকোহল: কোষের ক্ষতি করে, রক্ত চলাচল কমায়. অতিরিক্ত চা-কফি: শরীরে পানি কমিয়ে ও অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বাড়ায়. ঘুমের অভাব ও মানসিক চাপ: হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে. পুষ্টির ঘাটতি: বিশেষ করে ভিটামিন C, E ও জিংকের অভাব. বারবার মুখভঙ্গি করা: কপাল কুঁচকানো বা ভ্রু কুঁচকানো অভ্যাস. কীভাবে প্রতিরোধ করবেন।
ত্বকের যত্নে বড় পরিবর্তন আনার জন্য খুব জটিল কিছু দরকার নেই—নিয়মিত কিছু অভ্যাসই যথেষ্ট।
ত্বকের যত্ন
প্রতিদিন হালকা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন
নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন
বাইরে বের হলে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন
খাদ্যাভ্যাস
দিনে ৮–১০ গ্লাস পানি পান করুন
ফল, শাকসবজি, মাছ ও বাদাম বেশি খান
ভাজা ও ফাস্টফুড কমান
জীবনযাপন
প্রতিদিন ৬–৮ ঘণ্টা ঘুমান
নিয়মিত ব্যায়াম বা মেডিটেশন করুন
ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন
যদি খুব অল্প বয়সেই ত্বক দ্রুত কুঁচকে যায় বা ভাঁজ বেশি গভীর হয়ে যায়, তাহলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজনে তারা মেডিকেল ক্রিম, লেজার বা অন্যান্য চিকিৎসা দিতে পারেন।
সবশেষে—ত্বকের যত্ন একদিনে ফল দেয় না। ধারাবাহিক যত্নই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।