


শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ফিলিস্তিনে আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। এর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো এখানেও চাঁদ দেখার ভিন্নতার কারণে ঈদের দিনে পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।
ফিলিস্তিন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় দেশটিতে শুক্রবার ঈদ উদযাপন করা হবে। এই ঘোষণার পর থেকেই দেশজুড়ে ঈদকে ঘিরে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
এর আগে আফগানিস্তান, নাইজার ও মালিতে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) ঈদ উদযাপনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ফলে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন দিনে ঈদ পালনের বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।
ইসলামি বর্ষপঞ্জি চাঁদের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় শাওয়াল মাসের চাঁদ সব দেশে একই সময়ে দেখা যায় না। এ কারণে কোনো দেশে রোজা ২৯ দিনে শেষ হয়, আবার কোথাও ৩০ দিন পূর্ণ হয়। এই পার্থক্যের কারণেই ঈদের তারিখে ভিন্নতা দেখা যায়।
ধর্মীয় দিক থেকে ঈদুল ফিতর মুসলিমদের অন্যতম প্রধান উৎসব। এক মাস রোজা পালনের পর এই দিনটি আসে আনন্দ, সংযমের শিক্ষা এবং দানশীলতার বার্তা নিয়ে। ঈদের দিনে মুসলিমরা নামাজ আদায়, দোয়া, আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং অসহায়দের সহায়তার মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করেন।
ফিলিস্তিনেও ঈদকে কেন্দ্র করে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বাজারগুলোতে কেনাকাটার ভিড় বেড়েছে, মসজিদগুলো প্রস্তুত হচ্ছে ঈদের জামাতের জন্য। পরিবারগুলো নতুন পোশাক, খাবার ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই বিশেষ দিন উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বিশ্বজুড়ে মুসলিমরা নিজ নিজ দেশের ঘোষিত তারিখ অনুযায়ী ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দিন ভিন্ন হলেও ঈদের আনন্দ, ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধ সব জায়গাতেই সমানভাবে উদযাপিত হচ্ছে।