Date: May 01, 2026

দৈনিক দেশেরপত্র

collapse
...
Home / সারাদেশ / রাজশাহী / ১৮-র কালো আইন বাতিলের দাবি: বগুড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে মে দিবস পালিত - দৈনিক দেশেরপত্র - মানবতার কল্যাণে সত্যের প্রকাশ

১৮-র কালো আইন বাতিলের দাবি: বগুড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে মে দিবস পালিত

May 01, 2026 04:37:13 PM   অনলাইন ডেস্ক
১৮-র কালো আইন বাতিলের দাবি: বগুড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে মে দিবস পালিত

রায়হানুল ইসলাম, বগুড়া প্রতিনিধি:
বগুড়ায় আজ শুক্রবার যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস পালিত হয়েছে। দিনটি উপলক্ষে সকালে বগুড়া জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন, জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন এবং জেলা গৃহ নির্মাণ শ্রমিক পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশের আয়োজন করে।

সকাল থেকেই শ্রমিকদের মিছিলে বগুড়া শহরের রাজপথ মুখরিত হয়ে ওঠে। জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়ন ও জেলা শ্রমিক দলসহ বিভিন্ন সংগঠন আলাদাভাবে র‍্যালি বের করে। শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করার পর তারা শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথায় এক সমাবেশে মিলিত হন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া সদর ৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা। তিনি বর্তমান শ্রম পরিস্থিতির সমালোচনা করে বলেন, শ্রমিকরা জাতির মেরুদণ্ড কিন্তু এখনো তারা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের অভুক্ত রেখে কোনো দেশ বা জাতির প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। মে দিবসের মূল চেতনা বাস্তবায়ন করতে হলে শ্রমিকের পেটে খাবার এবং হাতে ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে হবে।

সমাবেশে বক্তারা শ্রম আইন সংশোধনের দাবি জানান এবং ২০১৮ সালের আলোচিত ‘কালো আইন’ বাতিলের জোর দাবি তোলেন। তারা বলেন, শ্রমিকদের স্বার্থবিরোধী যেকোনো আইন দেশের উৎপাদনশীলতায় বাধা সৃষ্টি করে। তাই অবিলম্বে এই আইনটি বাতিল করা প্রয়োজন।

জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির এবং জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল। এ ছাড়া মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সহ সভাপতি আসলাম হোসেন এবং প্রচার সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন পিন্টুসহ বিভিন্ন স্তরের নেতারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরি এবং উৎসব বোনাসসহ সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান। তারা মনে করেন, শ্রমিকের অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব এবং এটি নিশ্চিত করা গেলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। সবশেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।