


আইসিসির সর্বশেষ পুরুষদের টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিং হালনাগাদে এক ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলে নবম থেকে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে টাইগাররা। একই হালনাগাদে নারী ক্রিকেটেও অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে বাংলাদেশ নারী দল। নতুন র্যাঙ্কিংয়ে বিভিন্ন দলের অবস্থান ও পয়েন্টে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে।
মে ২০২৫ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে (১০০%) এবং আগের দুই বছরের ম্যাচগুলোকে তুলনামূলক কম গুরুত্ব দিয়ে (৫০%) হিসাব করা হয়েছে এই র্যাঙ্কিংয়ে।
বাংলাদেশ পুরুষ দল ১ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে এখন ২২৫ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে অবস্থান করছে। অন্যদিকে শ্রীলঙ্কা ৬ পয়েন্ট হারিয়ে নেমে গেছে নবম স্থানে। আফগানিস্তান ২২০ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে দশম স্থানে, শ্রীলঙ্কার চেয়ে খুবই কাছাকাছি ব্যবধানে।
শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ভারত। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রেখে তারা ২৭৫ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম স্থানে আছে। সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে ভারত প্রথম দল হিসেবে টানা দুইবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতে ইতিহাস গড়েছে।
র্যাঙ্কিংয়ের দ্বিতীয় স্থানে ইংল্যান্ড (২৬২ পয়েন্ট) এবং তৃতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়া (২৫৮ পয়েন্ট) অবস্থান করছে। চতুর্থ থেকে সপ্তম স্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি—নিউজিল্যান্ড (২৪৭), দক্ষিণ আফ্রিকা (২৪৪), পাকিস্তান (২৪০) এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২৩৩) তাদের অবস্থান ধরে রেখেছে।
১১ ও ১২ নম্বরে যথাক্রমে জিম্বাবুয়ে এবং আয়ারল্যান্ড রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ৬ পয়েন্ট বাড়িয়ে ১৩ নম্বরে উঠে এসেছে এবং নেদারল্যান্ডস ও স্কটল্যান্ডকে পেছনে ফেলেছে।
অন্যদিকে, নেপাল (১৭) এবং ওমান (১৯) এক ধাপ করে উন্নতি করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৮ এবং কানাডা ২০ নম্বরে অবস্থান করছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অভিষেক করা ইতালি বড় চমক দেখিয়ে ২৬ থেকে ২৩ নম্বরে উঠে এসেছে, প্রথম ম্যাচেই নেপালকে ১০ উইকেটে হারিয়ে তারা আলোচনায় আসে।
এছাড়া দীর্ঘ সময় পর্যাপ্ত আন্তর্জাতিক ম্যাচ না খেলায় ফিজি, গাম্বিয়া, গ্রিস এবং ইসরায়েলকে র্যাঙ্কিং তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
নারী ক্রিকেটেও সুখবর এসেছে বাংলাদেশের জন্য। রেটিং পয়েন্ট ৫ বেড়ে যাওয়ায় তারা এখন নবম স্থানে থাকা আয়ারল্যান্ডের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে, মাত্র ১ পয়েন্ট পিছিয়ে। এর আগে ১ মে প্রকাশিত ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়েও বাংলাদেশ নারী দল এক ধাপ উন্নতি করেছিল।
আইসিসির নতুন র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এটি একটি ইতিবাচক অগ্রগতির ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।