Date: April 17, 2026

দৈনিক দেশেরপত্র

collapse
...
Home / শিক্ষাঙ্গন / রাবিতে ফোকলোর বিভাগের নাম পরিবর্তনসহ তিন দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের অনশন - দৈনিক দেশেরপত্র - মানবতার কল্যাণে সত্যের প্রকাশ

রাবিতে ফোকলোর বিভাগের নাম পরিবর্তনসহ তিন দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের অনশন

May 22, 2025 08:59:59 PM   অনলাইন ডেস্ক
রাবিতে ফোকলোর বিভাগের নাম পরিবর্তনসহ তিন দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের অনশন

ফোকলোর বিভাগের নাম পরিবর্তনসহ তিন দফা দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ফোকলোর বিভাগের শিক্ষার্থীরা অনশন কর্মসূচি শুরু করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসমাইল হোসেন সিরাজী অ্যাকাডেমিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা অনশনে বসেন। এ সময় তারা ‘বিভাগ নিয়ে টালবাহানা, চলবে না’, ‘এই মুহূর্তে দরকার, ফোকলোর বিভাগ সংস্কার’, ‘সিন্ডিকেট না মুক্তি, মুক্তি মুক্তি’, ‘ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ চাই’—এমন নানা স্লোগানে মুখর করে তোলেন ক্যাম্পাস।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো- ফোকলোর বিভাগের নাম পরিবর্তন/সংস্কার করে বিষয়টির স্বীকৃতি ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি; পিএসসি ও ইউজিসিতে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে কোড বরাদ্দ; পরীক্ষার ফলাফল ১ মাসের মধ্যে প্রকাশ ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ক্লাস রুটিন প্রদান।

২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আল শাহরিয়া শুভ বলেন, “ফোকলোর একটি মাল্টি ডিসিপ্লিনারি বিভাগ। কিন্তু নামের কারণে মানুষের ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে। চাকরির বাজারে আমরা পিছিয়ে পড়ছি। তাই বিভাগটির নাম পরিবর্তন জরুরি।”

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এস.এন. শোভা বলেন, “ফোকলোর বিভাগ প্রথমে কলা অনুষদের অধীনে ছিল, পরে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে আনা হয়েছে। কিন্তু নাম শুনে এখনো কেউ বুঝতে পারে না আমরা কোন অনুষদের শিক্ষার্থী। ফলে চাকরি ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।”

এ বিষয়ে বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, “শিক্ষার্থীরা নাম পরিবর্তন চেয়ে আন্দোলন করছে। গত মঙ্গলবার (২০ মে) আমরা একটি একাডেমিক সভায় তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছি—প্রফেসর আখতার হোসেন, প্রফেসর মোস্তফা এবং প্রফেসর আমিরুল ইসলামকে নিয়ে। তারা সুপারিশ করে লিখিত সিদ্ধান্ত দেবেন।”

তিনি আরও বলেন, “সভাপতি হিসেবে আমি শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি সহানুভূতিশীল। আমরা ইতোমধ্যে উপাচার্যের সঙ্গে কথাও বলেছি। তবে কমিটি গঠনের পরেও শিক্ষার্থীরা কেন অনশনে গেছে, তা আমার জানা নেই।”