Date: April 22, 2026

দৈনিক দেশেরপত্র

collapse
...
Home / সারাদেশ / রংপুর / প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গিয়ে পুলিশ সদস্য আটক - দৈনিক দেশেরপত্র - মানবতার কল্যাণে সত্যের প্রকাশ

প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গিয়ে পুলিশ সদস্য আটক

April 18, 2026 04:02:22 PM   দেশেরপত্র ডেস্ক
প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গিয়ে পুলিশ সদস্য আটক

নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গিয়ে আতিকুর রহমান নামে এক পুলিশ কনস্টেবল স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছেন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে ডোমার সদর ইউনিয়নের হুজুরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত ১১টার দিকে মুচলেকা নিয়ে ডোমার থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

আটক আতিকুর রহমান নীলফামারী পুলিশ লাইন্সে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। তার বাড়ি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার খলিলগঞ্জ হরিরামপুর এলাকায়। এর আগে তিনি ডোমার থানায় কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই প্রবাসীর স্ত্রী ও তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে আতিকুরের আগে থেকেই পরিচয় ছিল। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ‘ধর্ম বাবা-মা’ সম্পর্ক তৈরি হয়। সেই সূত্রে বাড়িতে যাতায়াতের সময় প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে তার যোগাযোগ গড়ে ওঠে। পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে নিয়মিত কথা হতো।

প্রায় চার মাস আগে পারিবারিক সমস্যার কারণে ওই নারী আতিকুরকে নিয়ে নীলফামারী আদালতে আইনি পরামর্শ নিতে যান। বিষয়টি জানাজানি হলে শ্বশুরবাড়িতে বিরোধ দেখা দেয়। এরপর থেকে তিনি বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন।

ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের পর সমঝোতার মাধ্যমে তাকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছিল। এ সময় আতিকুর সেখানে গিয়ে তাকে নিজের সঙ্গে বিয়ের প্রস্তাব দেন। এতে উত্তেজনা তৈরি হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে একটি ঘরে আটকে রাখেন।

প্রবাসীর স্ত্রী বলেন, পারিবারিক সমস্যার কারণে তিনি আতিকুরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। তবে এই ঘটনায় তার সংসার ভেঙে গেলে দায় আতিকুরের ওপরই বর্তাবে।

মেয়েটির শ্বশুরের দাবি, আতিকুর তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তুলে নিয়মিত বাড়িতে যাতায়াত করতেন। আগের একটি ঘটনার পর তাদের সঙ্গে সম্পর্ক কমে গেলেও তিনি নিজ থেকেই আসা-যাওয়া চালিয়ে যান।

অভিযুক্ত আতিকুর রহমান বলেন, দাম্পত্য সমস্যার কথা শুনেই তিনি বিয়ের প্রস্তাব দেন। এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে আটকে রাখা হয়।

ডোমার সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুম আহমেদ জানান, বিয়ের প্রস্তাবকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা ঘটে। পরে মুচলেকা নিয়ে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নীলফামারী পুলিশ লাইন্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (আরআই) মো. বদিউজ্জামান বলেন, আতিকুর শুক্রবার রোল কলে অনুপস্থিত ছিলেন। পরে শনিবার সকালে তিনি যোগ দেন। ঘটনাটি নিয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।