
জামাল কাড়াল:
বরিশালের বাজারগুলোতে বেড়েছে মাছ, সবজিসহ সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে দাম। প্রতিটি মাছে কেজি প্রতি ৩০-৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। দাম বৃদ্ধির কারণে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা। কারফিউকালীন দিন যতই যাচ্ছে ততই দাম বাড়ায় অস্বস্তিতে পড়েছেন সাধারন মানুষ। গত ১৭ জুলাই থেকে কোটা সংস্কার আন্দোলনের কারনে সারাদেশে কারফিউ দেওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পণ্য আমদানিতে ভাটা পড়ার অজুহাতে বেড়েছে বাজার দর।
নগরী রুপাতলী কাচা বাজারে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে সবজির বাজারে অগুন লেগেই আছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, ৮০ টাকার নিচে কোন সবজি মিলছে না। বাজারে পটল ৭০ টা, টেরস ৮০ টাকা করল্লা ১০০ টাকা, কাচা মরিচ ৪০০ টাকা বেগুন ৮০ টাকা, বরবুটি ৮০ টাকা, পেপে ৭০ টাকা, পুইশাক ৫০ টাকা, লাউ ১০০ টাকা, দরে বিক্রি হচ্ছে।
এক রিকসা চালক মালেক হাওলাদার বাজার করতে এসে অতিরিক্ত দাম চাওয়ায় তিনি বাজার করতে পারেননি। মালেক হাওলাদার বলেন, আজ সকাল থেকে পাচটা পযন্ত রিকসা চালিয়ে মাত্র ৩০০ টাকা কামাই করছি। তা দিয়ে কাচা বাজার হয়, কিন্তু আরো তো চাল ডাল লাগবে তা কিনবো কেমনে, তাই আজ বাজার করা হলো না।
এদিকে বরিশালের মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে কৈ মাছ ২২০ টাকা, রুই ৩৫০ টাকা, কাতলা ৪৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা, পাঙাস ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের পাশাপাশি বরিশালের বাজারে দাম বেড়েছে সবজিরও। বাজারে কাঁচামরিচ ২৮০ টাকা, শসা ৫০, গাডি ৬০, গাজর ২২০, টমেটো ২০০, করলা ৬০, কাঁকরোল ৮০, বেগুন ৮০, ফুলকপি ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
মোঃ আমির মোল্লা মাছ কিনতে এসে চরম বিপাকে পরেছেন। তিনি বলেন আমি সাধারন একটা চাকরি করি, আমার বেতন মাত্র ৮ হাজার টাকা। সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি।
সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, আন্দোলন-কারফিউকে পুঁজি করে ব্যবসায়ীরা প্রতিটি পণ্যের দাম বাড়িয়েছে। সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে সবকিছু।