Date: May 05, 2026

দৈনিক দেশেরপত্র

collapse
...
Home / সোশ্যাল মিডিয়া / শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে সরব আহমাদুল্লাহ, তদন্তে নতুন অগ্রগতি! - দৈনিক দেশেরপত্র - মানবতার কল্যাণে সত্যের প...

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে সরব আহমাদুল্লাহ, তদন্তে নতুন অগ্রগতি!

May 05, 2026 08:56:23 PM   অনলাইন ডেস্ক
শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে সরব আহমাদুল্লাহ, তদন্তে নতুন অগ্রগতি!

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের আলোচিত হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার দাবি নতুন করে সামনে এনেছেন ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। একই সঙ্গে তিনি ইসলামের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্তেও এই ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির তথ্য উঠে এসেছে, যা বিষয়টিকে আবারও জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, “৫ মের হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত হোক। ইসলামের বিরুদ্ধে কাঠামোগত বিদ্বেষের পথ চিরতরে বন্ধ হোক।” তার এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং নতুন করে বিচার দাবি জোরালো হয়।

এদিকে একই দিনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম এক ব্রিফিংয়ে জানান, ২০১৩ সালের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তদন্তে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। তিনি বলেন, তদন্তে তৎকালীন সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে মামলায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করার প্রক্রিয়া চলছে।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা যায়, তদন্ত সংস্থা পুরো ঘটনাটিকে একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং ইতোমধ্যে তদন্ত কাজ প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এতে বিভিন্ন পর্যায়ের তথ্য-প্রমাণ, সাক্ষ্য এবং ঘটনার প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে শাপলা চত্বরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে এ ঘটনায় সঠিক সংখ্যক হতাহতের তথ্য ও বিচার নিয়ে বিতর্ক ছিল।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাম্প্রতিক তদন্ত অনুযায়ী, সারা দেশে ওই ঘটনায় অন্তত ৫৮ জন নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে, যার মধ্যে শুধু ঢাকাতেই ৩২ জন নিহত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এক দশকেরও বেশি সময় পর এই ঘটনায় বিচার প্রক্রিয়া নতুন গতি পাওয়ায় বিষয়টি আবারও জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্ব পাচ্ছে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবার এবং বিভিন্ন মহল থেকে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হয়ে উঠছে।