


দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও মাঠপর্যায়ের ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে আগামী ৩ মে থেকে শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন-২০২৬। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই চার দিনের সম্মেলনে সারা দেশ থেকে জেলা প্রশাসকরা অংশ নেবেন। সরকারি নীতিনির্ধারণ, উন্নয়ন পরিকল্পনা ও প্রশাসনিক সমন্বয় নিয়ে এতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে।
শুক্রবার (১ মে) তথ্য অধিদফতরের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মোল্লা আহমদ কুতুবুদ-দ্বীন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে এবং শনিবার (২ মে) আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলন চলবে ৩ থেকে ৬ মে পর্যন্ত। এবারের সম্মেলনে মোট ৩৪টি কার্য অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।
এদিকে সম্মেলনের বিস্তারিত কার্যক্রম তুলে ধরতে শনিবার বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে (কক্ষ নং ৪০০, ভবন নং ১) একটি প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। এতে সম্মেলনের কার্যসূচি, আলোচ্য বিষয় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে গণমাধ্যমকে অবহিত করা হবে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, সম্মেলনের বিভিন্ন অধিবেশন ও কার্যক্রমে গণমাধ্যমের কাভারেজের জন্য বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে, যাতে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও নীতিমালা সম্পর্কে স্বচ্ছতা বজায় থাকে।
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোয় ডিসি সম্মেলন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম, যেখানে মাঠ প্রশাসনের প্রধানরা সরাসরি সরকারের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে মতবিনিময় করার সুযোগ পান। এই সম্মেলনের মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রম, আইনশৃঙ্খলা, সেবাদান ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, ডিসিরা সম্মেলনের সময় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়ের সুযোগ পান। এতে মাঠ প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে সমন্বয় আরও শক্তিশালী হয় বলে মনে করা হয়।
আসন্ন ডিসি সম্মেলন ২০২৬ দেশের প্রশাসনিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা ও নীতিগত সিদ্ধান্তের একটি বড় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।