


রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আইনজীবীদের নিয়ে গোলটেবিল বৈঠক করেছে অরাজনৈতিক আন্দোলন হেযবুত তওহীদ। বৈঠকে আল্লাহর হুকুম, তওহীদভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার রূপরেখা কেমন হবে; বিশেষ করে এর বিচার ব্যবস্থা, আইন ও শাসন বিভাগ, সামরিক নীতি, নারী নীতি এবং শিক্ষানীতি কীভাবে পরিচালিত হবে তা নিয়ে মুক্ত আলোচনা করা হয়।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় মৌলিক অধিকার ও বাক স্বাধীনতা রক্ষার রূপরেখা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সংগঠনটি। অনুষ্ঠানে বিচার বিভাগ, আইন ও শাসন বিভাগ, সামরিক নীতি, নারী নীতি এবং শিক্ষানীতি কীভাবে পরিচালিত হবে তা নিয়ে মুক্ত আলোচনা হয়।
গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ও মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম। এসময় তিনি প্রচলিত ঔপনিবেশিক যুগের বিচারব্যবস্থার ব্যর্থতার নানা দিক তুলে ধরে একে সংস্কার করে আল্লাহর হুকুমের ভিত্তিতে এই অঞ্চলের মানুষের বিশ্বাস ও ধ্যান-ধারণার সাথে সঙ্গতি রেখে নতুন আধুনিক বিচারব্যবস্থার রূপরেখা তুলে ধরেন। এ প্রসঙ্গে বিচারব্যবস্থা সংস্কারে তিনি ৯ দফা প্রস্তাবও উপস্থাপন করেন।

হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম তার মূল আলোচনায় বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৪ বছর এবং দেশভাগের পর প্রায় ৮০ বছর অতিবাহিত হলেও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক মুক্তি কিংবা ন্যায়বিচার কোনোটিই আজও পূর্ণাঙ্গভাবে অর্জিত হয়নি। ঔপনিবেশিক আমলের তৈরি ঘুণে ধরা রাষ্ট্রব্যবস্থাই এর মূল কারণ। কেবল নেতা বা দল পরিবর্তন করে এই সংকটের সমাধান সম্ভব নয়; প্রয়োজন পুরো সিস্টেমের আমূল পরিবর্তন।
বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, “বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা এক কঠিন সংকটের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে। দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচার এবং শাসিতের ওপর শাসকের জুলুম আজ অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। ১৯৪৭ সালকে ভিত্তি ধরলে আমরা প্রায় ৮০ বছর পার করেছি। এই দীর্ঘ সময়ে আমরা আমাদের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা টেকসই করতে পারিনি। অর্থনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন, বিচার বিভাগের অরাজকতা এবং দুর্নীতি বন্ধ হয়নি। বরং হাইকোর্ট পর্যায় পর্যন্ত দুর্নীতি বিস্তৃত হয়েছে।”
তিনি বলেন, “বিগত দিনের ইতিহাস ও পরিসংখ্যান অনুযায়ী আমরা যৌক্তিকভাবেই ধরে নিতে পারি আমাদের সিস্টেমটাই ভুল। এই সিস্টেম ঔপনিবেশিক যুগ থেকে নানা পরিবর্তন ও সংস্কারের মধ্য দিয়ে টিকে আছে। আমরা বারবার গণতন্ত্রের কথা বলি, নির্বাচনের মাধ্যমে দল ও নেতা পরিবর্তন করি, কিন্তু সিস্টেম পাল্টানোর কোনো উদ্যোগ দেখি না। ফলে প্রবাদটি সত্য হয়ে দাঁড়ায় ‘যে যায় লঙ্কা, সে-ই হয় রাবণ’। ভালো মানুষ এই সিস্টেমে গেলে খারাপ হয়ে যায়। তাই আমরা বলছি, সমস্যাটা ব্যক্তিতে নয়, সমস্যাটা সিস্টেমে।”

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন প্রসঙ্গে হেযবুত তওহীদের এমাম বলেন, “চব্বিশের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে একটি সরকারের পতন হয়েছে, রেজিম চেঞ্জ হয়েছে। কিন্তু বিপ্লব যে অর্থে হয়, সেই অর্থে এটি বিপ্লব হয়নি। কারণ তারা জাতির সামনে কোনো ‘নয়া বন্দোবস্ত’ বা নতুন সিস্টেমের রূপরেখা দিতে পারেনি। অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের কথা বলছে, কিন্তু দেড় বছরেও কোনো সন্তোষজনক রূপরেখা দৃশ্যমান নয়। জুলাই সনদের মুখ্য বিষয় দাঁড়িয়েছে ইনডেমনিটি বা দায়মুক্তি দেওয়া, যা কোনো টোটাল সিস্টেমের চেঞ্জ নয়।”
তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার দার্শনিক ভিত্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, “আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা মূলত মানুষের সার্বভৌমত্বকে কেন্দ্র করে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে মানুষকে মেকিয়াভেলিবাদের দৃষ্টিতে ‘ধূর্ত ও অবিশ্বাসী’ হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু আমাদের প্রস্তাবিত ব্যবস্থা আল্লাহর সার্বভৌমত্বের ওপর ভিত্তিশীল। আল্লাহ মানুষকে তাঁর প্রতিনিধি বা ‘খলিফা’ হিসেবে মর্যাদা দিয়েছেন। বাংলাদেশের ৯৯ শতাংশ মানুষ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান নির্বিশেষে -এক স্রষ্টায় বিশ্বাসী। সুতরাং স্রষ্টার দেওয়া ন্যায়-অন্যায়ের মানদণ্ড মেনে রাষ্ট্র পরিচালনায় মৌলিক কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়।”

ইসলাম ফোবিয়া একটি পরিকল্পিত প্রোপাগান্ডার ফল উল্লেখ করে তিনি বলেন, “শরিয়া বা ইসলামি আইন মানেই অনেকের চোখে ভেসে ওঠে বেত মারা, হাত কাটা বা শিরচ্ছেদ। এক শ্রেণির ইসলাম বিদ্বেষীরা উগ্রপন্থীদের কর্মকাণ্ডকে পুঁজি করে শরিয়াকে ভীতিকরভাবে উপস্থাপন করেছে। অথচ ইসলামের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, রসুল (সা.)-এর প্রতিষ্ঠিত সমাজ এবং পরবর্তী সাড়ে তিনশ বছরে চুরির অপরাধে হাত কাটার ঘটনা ঘটেছে মাত্র ছয়টি। ইসলামি জীবনব্যবস্থার উদ্দেশ্য হাত কাটা নয়, এর লক্ষ্য হলো- মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা, অভাব দূর করা। মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, যাতে মানুষ রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারে। বর্তমান আদালতে সাড়ে ৪৬ লক্ষ মামলা ঝুলে আছে। মানুষ বছরের পর বছর আদালতের বারান্দায় ঘুরেও বিচার পায় না। অথচ ইসলামের স্বর্ণযুগে মাসের পর মাস আদালতে কোনো মামলাই আসত না। কারণ সমাজব্যবস্থাই ছিল অপরাধমুক্ত। সেখানে মানুষকে যেমন ধর্মের মাধ্যমে নৈতিকভাবে চরিত্রবান করে গড়ে তোলা হতো পাশাপাশি মানুষের মৌলিক চাহিদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হতো।”
তিনি আরও বলেন, “ইসলামের বিচারব্যবস্থা প্রতিশোধপরায়ণ নয়, বরং সমাধানমুখী। হত্যার বিচারের ক্ষেত্রেও ইসলাম ক্ষমা, রক্তমূল্য (দিয়াত) এবং কিসাস (সমপরিমাণ শাস্তি) -এই তিনটি অপশন রেখেছে, যেখানে ভুক্তভোগী পরিবারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। যা অত্যন্ত মানবিক ও বিজ্ঞানসম্মত।”
গোলটেবিল বৈঠকে নারীদের মানবাধিকার ও বর্তমান বিচারব্যবস্থার ব্যর্থতা নিয়ে বক্তব্য রাখেন হেযবুত তওহীদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও নারী নেত্রী রুফায়দাহ পন্নী। তিনি সংবিধান ও জাতিসংঘের মানবাধিকার সনদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, “কাগজে-কলমে নারী-পুরুষের সমঅধিকারের কথা বলা থাকলেও বাস্তবতা ভিন্ন। ২০০০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার সংখ্যা ৫ থেকে ৬ লাখ ছাড়িয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, সাজার হার মাত্র ১ থেকে ৩ শতাংশ। অর্থাৎ ৯৭ শতাংশ অপরাধীই খালাস পেয়ে যাচ্ছে।”
তিনি বলেন, “আল্লাহর বিধানে নারী ও পুরুষের অপরাধের শাস্তি সমান। কিন্তু আমাদের সমাজে বিচার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে নারীরা পদে পদে বৈষম্যের শিকার। দেশে বর্তমানে নারী বিচারকের সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য। সুপ্রিম কোর্টের ১১৭ জন বিচারকের মধ্যে মাত্র ১২ জন নারী। অথচ স্পর্শকাতর মামলাগুলোতে নারীদের মনস্তত্ত্ব ও বেদনা বোঝার জন্য নারী বিচারকের ভূমিকা অনস্বীকার্য।”
রুফায়দাহ পন্নী আরও বলেন, “২০০৯ সালে আমাদের বাড়িতে হামলার পর যখন নারী ও শিশুদের কারাগারে নেওয়া হয়, তখন বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানাই প্রশ্ন তুলেছিলেন ‘শিশুরা কি মারামারি করেছে? তাদের কেন জেলে নেওয়া হলো?’ একজন নারী বিচারক হিসেবে তিনি যে মানবিক দিকটি অনুধাবন করেছিলেন, তা অনেক পুরুষ বিচারকের পক্ষে সম্ভব হয়নি। তওহীদভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় নারীদের বিচারক, আইনজীবী বা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকতে কোনো বাধা নেই, বরং মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে তারা সব ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারবে।”
অনুষ্ঠানে হেযবুত তওহীদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. মাহফুজ আলম মাহফুজের সঞ্চালনায় মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন দেশের বিশিষ্ট আইনজ্ঞ, সাবেক বিচারক, অধ্যাপক ও বুদ্ধিজীবীরা। আলোচনায় অংশ নিয়ে বিচারপতি এমদাদুল হক আজাদ, সুপ্রিম কোর্টের সাবেক ডিএজি ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সহ-সভাপতি গোলাম মোহম্মদ চৌধুরী আলাল, সাবেক ডিএজি অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য, ব্যারিস্টার এবিএম গোলাম মোস্তফা তাজ, সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক আব্দুল হাই, অ্যাডভোকেট এ এস এম হাসান জহির, অ্যাডভোকেট মোরসেদুল ইসলাম সিকদার, অ্যাডভোকেট মফিজুল ইসলাম বাবুল, অ্যাডভোকেট জাহিদুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল হাসান খান, হেযবুত তওহীদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান, এসএম সামসুল হুদা, সাহিত্য সম্পাদক রিয়াদুল হাসান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ইলা ইয়াসমিন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বর্তমান বিচারব্যবস্থা অনেকটাই কাগজ ও নথিনির্ভর, যেখানে নৈতিকতা বা আধ্যাত্মিকতার কোনো স্থান নেই। মিথ্যা সাক্ষ্য, ভুয়া মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং অর্থের বিনিময়ে তদন্ত রিপোর্ট পাল্টে দেওয়ার সংস্কৃতির কারণে সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তারা হেযবুত তওহীদের প্রস্তাবিত রূপরেখাকে একটি সময়োপযোগী ও গভীর চিন্তাশীল প্রস্তাবনা হিসেবে অভিহিত করেন। বক্তারা মনে করেন, ঔপনিবেশিক প্রভুত্ব বজায় রাখার জন্য তৈরি করা আইন ও বিচার কাঠামো দিয়ে স্বাধীন দেশের মানুষের আকাক্সক্ষা পূরণ সম্ভব নয়। একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়তে হলে স্রষ্টার দেওয়া বিধান এবং মানবিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে রাষ্ট্রকে ঢেলে সাজাতে হবে।
হেযবুত তওহীদের প্রস্তাবিত বিচারব্যবস্থার সারসংক্ষেপ
১. বিচার প্রক্রিয়ায় আল্লাহর হুকুমই হবে চূড়ান্ত। প্রচলিত বিচারপদ্ধতি ও আইন-কানুন সবই সংস্কারের আওতায় আসবে আর যেগুলো আল্লাহর আদেশের সঙ্গে সাংঘর্ষিক, তা বাতিল করা হবে।
২. ঔপনিবেশিক আমলের ব্যয়বহুল, শ্লথ গতিসম্পন্ন এবং জটিল বিচার প্রক্রিয়া পরিহার করে একটি সহজ, দ্রুত কার্যকর ও জনগণের জন্য সুবিধাজনক বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে।
৩. ধনী-গরিব, প্রভাবশালী-দুর্বল, নারী-পুরুষ, নেতা-জনতা, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিক বৈষম্যহীনভাবে ন্যায়বিচার পাবে।
৪. বিচার পেতে অর্থ ব্যয় করতে হবে না। কারণ ন্যায়বিচার জনগণের মৌলিক অধিকার যা প্রদানে রাষ্ট্র দায়বদ্ধ।
৫. বিচার প্রক্রিয়ায় সরকারি আইনজীবীরা জনগণকে আইনি পরামর্শ দেবেন, সহযোগিতা করবেন এবং নাগরিকরা সরাসরি বিচারকের সামনে তাদের অভিযোগ উপস্থাপন করতে পারবেন।
৬. গ্রাম পর্যায়ে সালিশি বা পঞ্চায়েত ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে, যেখানে গ্রামপ্রধান, প্রবীণ ব্যক্তিবর্গ এবং অভিভাবকগণের উপস্থিতিতে বিরোধগুলো মিটমাট করা হবে। উপস্থিত সকলে একে অপরকে ব্যক্তিগতভাবে জানার কারণে বিষয়গুলোর নিষ্পত্তি সহজ হবে, আদালতের মত তাদেরকে কেবল কিছু কাগজপত্র বা মৌখিক বয়ানের উপর নির্ভর করতে হবে না। ফলে লক্ষ লক্ষ মামলার জট সৃষ্টি হবে না।
৭. প্রতিটি ইউনিয়নে জামে মসজিদ সন্নিহিত আদালত থাকবে। সপ্তাহজুড়ে সেখানে বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে। জুমার দিন বড় অপরাধের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কার্যকর করা হবে।
৮. গুরুতর অপরাধ যেমন রাষ্ট্রদ্রোহ, অর্থপাচার, সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড, যুদ্ধাপরাধ, গণহত্যা ইত্যাদি কর্মকাণ্ড, যেগুলি দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি সেগুলো কেন্দ্রীয় আদালতে নিষ্পত্তি হবে।
৯. বিচারবিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে। বিচারপতিগণ রাষ্ট্রপ্রধান কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হবেন। বিচারকদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্টতা বা দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে, তা রাষ্ট্রপ্রধানের নেতৃত্বে নিষ্পত্তি হবে।