Date: April 21, 2026

দৈনিক দেশেরপত্র

collapse
...
Home / সারাদেশ / বরিশাল / বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক শাটডাউন ঘোষণা! - দৈনিক দেশেরপত্র - মানবতার কল্যাণে সত্যের প্রকাশ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক শাটডাউন ঘোষণা!

April 20, 2026 08:44:04 PM   অনলাইন ডেস্ক
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমিক শাটডাউন ঘোষণা!

শিক্ষকদের পদোন্নতি ও প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনের দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। দাবি পূরণ না হলে ২২ এপ্রিল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য পূর্ণাঙ্গ ‘একাডেমিক শাটডাউন’ কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষক সমাজ।

সোমবার (২০ এপ্রিল) শিক্ষক সমাজের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে ২১ এপ্রিল দিনব্যাপী পূর্ণ কর্মবিরতি পালন করবেন শিক্ষকরা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২২ এপ্রিল থেকে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে শিক্ষকরা প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকেও বিরত থাকবেন।

এর আগে একই দাবিতে মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. জামাল উদ্দিন ২৪ ঘণ্টা অনশন কর্মসূচি পালন করেন। পরে শিক্ষকদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে তিনি অনশন ভাঙেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রাহাত হোসেন ফয়সাল অভিযোগ করেন, প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। তার মতে, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা পদোন্নতি পেলেও ববিতে এই প্রক্রিয়া পিছিয়ে আছে।

অন্যদিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম বলেন, পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নীতিমালার ভিত্তিতে সিলেকশন বোর্ড গঠন করে পদোন্নতির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) অভিন্ন নীতিমালা অনুসরণের নির্দেশ দেয়।

তিনি আরও জানান, ইউজিসির নির্দেশনার পর বিষয়টি নিয়ে নিয়মিত আলোচনা চলছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। দ্রুত সমাধানের আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিদ্যমান সিন্ডিকেট অনুমোদিত বিধিমালার ভিত্তিতেই পদোন্নতি কার্যক্রম চলছিল। কিন্তু ইউজিসির নতুন নির্দেশনায় পুরো প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে তীব্র শিক্ষক সংকট রয়েছে। ২৫টি বিভাগের অনেকগুলোতেই মাত্র ৩ থেকে ৪ জন শিক্ষক দিয়ে পাঠদান চালানো হচ্ছে। এছাড়া অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপকের ৫১টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পড়ে আছে।